মাত্র ১ বছরের শিশু নুসরাত জাহান অসাবধানতাবশত একটি কয়েন গিলে ফেললে তার পরিবার চরম উদ্বেগের মধ্যে পড়ে যায়। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় তাকে এম এ রশীদ হসপিটালের ইমার্জেন্সি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
ইমার্জেন্সি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শিশুটির অবস্থা বিবেচনা করে তাকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের কনসালটেন্টের তত্ত্বাবধানে রেফার করা হয়। এত অল্প বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং সংবেদনশীল।
চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি
এই কেসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল দিক ছিল:
- এত অল্প বয়সের শিশুকে নিরাপদে এনেস্থেসিয়া প্রদান করা
- খাদ্যনালীতে আটকে থাকা কয়েনটি এন্ডোস্কপির মাধ্যমে অপসারণ করা
- অপারেশন চলাকালীন সম্ভাব্য জটিলতা নিয়ন্ত্রণে রাখা
বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টা
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট এবং এনেস্থেসিওলজি স্পেশালিস্টসহ দক্ষ ওটি টিমের সমন্বিত প্রচেষ্টায় রাত ৩টায় সফলভাবে এন্ডোস্কপির মাধ্যমে শিশুটির খাদ্যনালী থেকে কয়েনটি অপসারণ করা সম্ভব হয়।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম, ঝুঁকিপূর্ণ এবং দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়ার মতো একটি চিকিৎসা কার্যক্রম।
সফলতার গল্প
সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক খবর হলো—বর্তমানে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত, সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?
এ ধরনের ঘটনায় দেরি হলে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
- খাদ্যনালীতে ক্ষত
- শ্বাসকষ্ট
- সংক্রমণ
- জীবনহানির ঝুঁকি
তাই এমন পরিস্থিতিতে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এম এ রশীদ হসপিটাল: আপনার আস্থার জায়গা
এম এ রশীদ হসপিটাল সকল ধরনের জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগের সমন্বিত চিকিৎসা প্রদান করে। এখানে রয়েছে:
- ২৪/৭ ইমার্জেন্সি সেবা
- আধুনিক অপারেশন থিয়েটার
- অভিজ্ঞ ও দক্ষ চিকিৎসক দল
- উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থা
⏱️ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই পারে জীবন বাঁচাতে।
💚 আপনার আস্থায়, আপনার পাশে—এম এ রশীদ হসপিটাল।


